যৌবনের প্রথম চোদা শিখেছি মায়ের কাছে🫦
যৌবনের প্রথম চোদা শিখেছি মায়ের কাছে
যৌবনের প্রথম চোদা শিখেছি মায়ের কাছে
আমি আর থাকতে পারলাম না তাই একদিন কবিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম।
আমি: তোর স্বামী মৃত্যুর পরেও তোরা মা ছেলে এত সুখী কীভাবে? স্বামীর মৃত্যুতে তো কোনও দুঃখ নেই?
কবিতা: আমি তো আর আমার স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে পারবো না। তাছাড়া রাজতো সাথেই আছে।
আমি: রাজ আছে ঠিক আছে। কিন্তু রাজতো আর তোর স্বামীর অভাব দূর করতে পারেনা।
কবিতা: না! রাজ আমার সমস্ত অভাব দূর করে দেয়।
ওর মুখ থেকে এমন কথা শুনে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। আমি সরাসরি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম।
আমি: তুই দেহের চাহিদার বিষয়ে কী করিস?
কবিতা: তোর কাছে কী গোপন করব,রাজই এখন আমার সবকিছু।
কচি ধোনের আশায় আমি আদিকে পটানো যায় তাই চিন্ত করতে লাগলাম।
লিখে তার খোঁজখবর নিয়ে বিদায় নিলাম।
আমি: এতো সময় তুমি কোথায় ব্যস্ত ছিলে? কি কোনো বান্ধবীর সাথে ছিলে নাকি?
আদি: না মাসি,আমার কোনো বান্ধবী নেই।
আদি: সত্যি খালা, আমার মায়ের কসম!
আমি: সে তোমার মা,কোনো বান্ধবী না যে এভাবে তার কসম দিচ্ছ।
আমার ছেলে জানত না যে সে তার মায়ের সাথেই কথা বলছে। তারপর আমি তাকে কবিতা খালা হিসাবে জিজ্ঞাসা করলাম।
আমি: তুমি কী ধরনের মেয়ে বন্ধু চাও?
সে বলতে চাইলো না বরং লজ্জা পেয়ে বলল।
আদি: আরে খালা আপনি কেমন প্রশ্ন করছেন?
এই কথা শুনে সে আমার সাথে কিছুটা ফ্রি হয়ে গেল। তখন সে বলল।
আমি: কেন? তাদের কেউকেই তোমার পছন্দ না তাহলে কি তুমি অন্য কোনো মেয়েকে চাও?
আদি: না খালা আমি সে মেয়েগুলো মধ্যে কাউকে পছন্দ করি না। তারা কেউ আমার মনের মতো না।
আমি: তাহলে তোমার মনের মতো কেমন ধরনের বান্ধবী পছন্দ?
আমি: বোকা! কেউ কি মায়ের মতো মেয়ে বান্ধবী চায়?
আদি: আমি তার মতো স্বভাবের কথা বলেছি। তার মতো যত্নশীল হতে হবে আর দেখতেও। bangla incest choti
আমি: আমি তোমাকে একটা কথা বলব, তুমি কিছু মনে করবে না তো?
আমি: তুমি বললে যে তোমার মেয়ে বান্ধবী দেখতে তোমার মায়ের মতো হতে হবে! আমি এটা বুঝতে পারলাম না।
আমি: তুমি গার্লফ্রেন্ডের মতো মা চাও নাকি মায়ের মতো গার্লফ্রেন্ড চাও?
আদি: না খালা! আপনি বুঝতে পারেননি।
আমি: হ্যা খালা! কিন্তু সে তো আমার মা।
আমি: ওসব ভুলে যাও। তুমি কি তোমার মাকে তোমার মেয়ে বান্ধবী বানাতে চাও?
আদি: যদি এটা সম্ভব হয় তবে অবশ্যই!
আমার মন খুশিতে ভরে উঠল এই ভেবে যে সেও আমাকে চায়।
আমি: আমি তোমার জন্য তোমার মাকে পটাবো। তুমি কোনো চিন্তা করোনা।
আদি: প্লিজ খালা! ব্যাপাটা যেন অন্য কেউ না জানে।
আমি: ঠিক আছে! ভয় নেই কেউ জানবেনা।
আদি: ঠিক আছে খালা বলুন কি করতে হবে?
মাঝে মাঝে আমি শুয়ে থাকলে ও আমার সাথে শুয়ে থাকতো ও আমাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরতো।
এই সমস্ত কিছু আমিই তাকে শিখিয়ে দিতাম কবিতা সেজে। কীভাবে আমাকে জড়িয়ে ধরবে কীভাবে চুমু খাবে।
আমি নিজেই ওর হাত আমার দুধে রেখে চেপে ধরলাম। সেও খুব গরম হয়ে গেল। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম।
আমি: এই পোশাকে কি সত্যিই আমাকে খুব হট লাগছে?
আদি: মা তোমাকে মল্লিকা শেরওয়াতের মতো দেখাচ্ছে। তুমি যদি আমার গার্লফ্রেন্ড হতে…
আদি: তাহলে তোমায় কাঁচায় খেয়ে ফেলতাম।
সেও আমার কোমরে হাত রেখে আমাকে আরো কাছে টেনে নিচ্ছিল। আমি ওর ধোনটা আমার গুদে পরিষ্কার বুঝতে পারলাম।
তারপর দু’দিন পর ছিল আদির জন্মদিন।
আদি আমার ঘরের সাজসজ্জা দেখে অবাক হয়ে গেলো। সে আমাকে বলল।
আদি: মা তুমি কি আমার জন্য এই সব করেছ?
আমি: আমার ছেলে এখন বড় হয়ে গেছে তাই আমি তার জন্য সবকিছু করতে পারি। এসো এখন কেক কাটি।
সে আর আমি একপিস কেকের অর্ধেক করে খেলাম। তারপর আমরা একে অপরকে জরিয়ে ধরলাম।
আমি: শুভ জন্মদিন আদি। এটা তোমার জন্য।
সেও আমাকে নিজের কোলে নিয়ে বললো।
আদি: থ্যাঙ্কস মা! তুমি খুব ভালো।
আমি: তোমার এই দিন কে বিশেষ করে তুললো?
আমি: তোমার বান্ধবী কেন করল না?
আদি: তুমি জানো না মা আমার কোনও বান্ধবী নেই।
আমি: সত্যি করে বলো তুমি কিরকম বান্ধবী চাও?
আমি: আমার মতো নাকি আমাকেই চাও?
প্রথমে সে চুপ হয়ে তারপর আমার দিকে তাকাতে লাগলো।
সে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো।
আদি: হ্যাঁ মা বলো। bangla incest choti
আমি: তুমি যাঁর সাথে চ্যাট করতে সে তোমার কবিতা খালা না।
আমি ওর ঠোঁটে আমার ঠোঁট রেখে বললাম।
সে খুশী হলো এবং আমার ঠোঁটে চুমু খেতে লাগলো আর আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।
তারপর আমরা দুজন একগ্লাসে মদ খেলাম।
আমি ওর ঠোঁটে চুমু দিয়ে বললাম।
আদি: আমিও তোমাকে ভালবাসি আমার প্রিয়তমা।
আদি: আউম… মম… উম্মহ… আহহহ… হাহ… ইয়া…
সে হঠাৎ আমার চুল ধরে টেনে আমাকে চুমু খেতে শুরু করে। আমরা দুজনই তখন পাগল হয়ে গেছিলাম।
আমার ছেলে আদি আমাকে চুদতে শুরু করল। ঘরে ‘আহ উ আহ আহ ..’ ছাড়া আর কিছুই শোনা যাচ্ছে না।

Comments
Post a Comment