অল্প বয়সী টুম্পা কাকির সাথে 🫦
আবীরের কলেজ জীবন প্রায় শেষের দিকে, আর কয়েক মাস পর ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা। তাতে অবশ্য আবীরের অতো চিন্তা নেই, কারণ আবীরের রেজাল্ট এখনও পর্যন্ত খারাপ হয়নি স্কুল জীবন থেকে কলজে জীবন পর্যন্ত, তাই বলে সে কলেজ টপার এমন নয়,সবসময় সন্তোষজনক রেজাল্ট করে আর পড়াশোনা ছাড়াও জেনারেল নলেজে পারদর্শী। তাই ছেলে আত্মবিশ্বাসী খুব।লম্বায় ৫’৭” আবীরের গায়ের রং ফরসা, শরীরের গঠন উচ্চতা অনুপাতে খুবই ভালো, জিমে না গেলেও বাড়িতে শরীর চর্চা করে নিয়মিত।
আবীর বলল ” কিছু সময় হলো এসেছি, মামাদের বাড়িতে কেউ নেই। ”
আবীর বলল ” আমার নাম আবীর, কিন্তু আপনি আমাকে কিভাবে চিনলেন?”
টুম্পা বলল ” আপনার দিদা কে আমি কাকিমা বলি এবার ভেবে নিন, আমি আপনার কে হবো? ”
– ছেলে তো ভালোই কথা বলতে জানে।
-হ্যাঁ তা জানে, আর এমন ভালো কারও সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হলে, আরও কথা বলতে ইচ্ছে করে।
– শুধু কথা বলতে ইচ্ছা করে, আর দেখতে ইচ্ছা করে না বুঝি?
– তা করে বইকি। কিন্তু সুযোগ পাচ্ছি কই?
– কেন? এতো সময় দেখে মন ভরেনি বুঝি?
– ভরেছে, কিন্তু ভালো জিনিস আরও বেশি দেখতে ইচ্ছা করে।
– তাহলে তো আমাদের বাড়িতে আসতে হবে।সব জায়গায় তো সবকিছু দেখানো যায় না।
– আপনার শ্বাশুড়ী মাকে দেখছি না!
– উনি আপনার দিদার সঙ্গে দোকানে গেছে।
– ওওও!!!!!!! তাই ম্যাডাম এতো সাহসী হয়ে কথা বলছে।
– মোটেও না। আমি এমনিতেই সাহসী।
– তাই? তাহলে তো পরখ করে দেখতে হয়। আপনি আমার সঙ্গে তুমি বলে কথা বলতে পারবে?
– অবশ্যই পারবো, কিন্তু আপনাকেও তুমি বলতে হবে।
– আচ্ছা ঠিক আছে। তোমার বর বাইরে থাকে, তোমার সমস্যা হয় না?
টুম্পা একটি চেয়ার নিয়ে এসে আবীরের সামনে বসে নিজের বুকের কাপড় অনেকটা সরিয়ে দিয়ে বলল-
– না সমস্যা হয়না, আমার কোনোই সমস্যা হয় না।
টুম্পা বলল ” যেকোনো ছেলে হবে,তুমি পাগল হবে না? ”
টুম্পা – তাই? তাহলে আমি এখুনি তোমাকে আমার কাছে মন থেকে চাইলে পাবো?
আবীর- হ্যাঁ, তার জন্য কিছু প্ল্যান করতে হবে।
টুম্পা- তুমি প্ল্যান করো, আমি তত সময় রান্না করে নিই।
টুম্পা- চুপ।।!। বলে রান্না শেষ করতে মন দিল।
– দারুন, আমার গুদ যেন নতুন পৃথিবীর স্বাদ পেলো, তুমি আবার কবে এম সুখ দেবে?(আবীরের বুকে মাথা গুজে বলল)
– যখনই ইচ্ছা করবে বোলো, আমি আসার চেষ্টা করবো, তোমার যোনিগহ্বরে কামরস খসাতে।
-ঠিক আছে, কিন্তু তুমি কথা দাও, আমাকে আমার এই সংসার ছেড়ে যেতে বলবে না,এই সংসারের ক্ষতি করবে না।
-আচ্ছা তাই হবে। আমি তোমার সংসারের ক্ষতি করবোনা। বলে জড়িয়ে ধরে আদর করলো আবীর।

Comments
Post a Comment