Posts

Showing posts from April, 2025

খালুর সাথে 🫦

Image
                             খালুর সাথে 🫦 খালুর সাথে 🫦 😍  আমি আদৃতা, রাজশাহী কলেজে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে শেষ বর্ষে পড়ি।আমি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, গায়ের রং টকটকে ফর্সা, দু*#ধের সাইজ ৩৮।সারা জীবনে অনেক মানুষ আমাকে চুদেছে, আজ আমি আমার চো%*দার কথা তোমাদের সাথে শেয়ার করতে চাই।এই গল্পের কাহিনী সম্পূর্ণ সত্যি। আমার নানা বাড়ি রাজশাহী আমার আব্বু আজম খন্দকার নানা বাড়ীতে ঘরজামাই থাকে।আমার খালু লতিফ রাজশাহীর বড় ব্যবসায়ী। লতিফ খালুর টাকায় নানা মামা ও আমাদের পরিবার চলে।তাই তার কথা কেউ ফেলতে পারতো না। লতিফ খালুর টাকার ঋণ কীভাবে চোদোন খেয়ে শোধ করেছিলাম তাই আজ তোমাদের বলব। আমার বয়স তখন ১৩ ক্লাস এইটে পড়ি।আমি লম্বায় তখন ৫ ফুট ২ ইঞ্চি গায়ের রং ফর্সা।আমার মত সুন্দরী এলাকায়ে কেউ ছিল না।তখনই আমার দু*#ধের সাইজ ছিল ৩৪। পি.এন. স্কুলে ক্লাশ শেষে বিকেলে খালার বাড়ীতে গেলাম ( খালার বাড়ি নানার বাড়ির পাশেই ছিল )। যেয়ে দেখি খালা বাড়ীতে নাই মার্কেটে গেছে আর লতিফ খালু টিভি দেখছে।  খালু আমাকে দেখে বলল, এসো আদ্রিতা টিভিতে খুব ভালো মুভি হচ্ছে ...

শীতের রাতে, খালার সাথে🫦

Image
                 শীতের রাতে, খালার সাথে🫦 শীতের রাতে, খালার সাথে আমি রাতুল। তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়তাম। সমাপনী পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শীতের ছুটিতে নানাবাড়ি গিয়েছিলাম। আমার নানাবাড়ি গ্রামে। জেলা শহর থেকে বেশ খানিকটা দূরে। আমাদের যাওয়ার কথা শুনে আম্মুর চাচা চাচী, চাচাতো ভাই বোনেরা সবাই আমার নানুদের ঘরে হাজির। আম্মুর অনেক গুলো কাজিন ছিলো। আম্মু তাদের বাড়ির বড় মেয়ে হওয়ার কারণে সবাই আমাদের আলাদাভাবে একটু বেশিই ভালোবাসতো। আমি মামা বাড়ি গেলে আমার নানুদের ঘরে খুব কমই ঘুমানো হতো, কারণ আমার অন্যান্য চাচাতো মামারা অধিকাংশই প্রায় আমারই বয়সী ছিলো তাই তাদের সাথেই থাকা হতো বেশিরভাগ সময়। তেমনই একজন ছিলো কায়েস মামা। তাদের ঘরেই বেশি ঘুমানো হতো। কায়েস মামা আমার থেকে বছর দুয়েকের বড় ছিলো। তার একটা বড় বোন ছিলো নাম মিতু। আমি তাকে খালামনি বলে ডাকতাম। মিতু খালামনি আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসতো এবং স্নেহ করতো। আমার আজকের ঘটনাটা আমার এই মিতু খালামনিকে নিয়েই। (ঘটনাটা শুরু করার আগে মিতু খালামনির একটা বর্ণনা দিয়ে নেই যাতে করে যারা পড়বেন তাদের বুঝতে সুবিধা হয়) মিতু খালা কায়েস মামা...

দুষ্টু মিষ্টি ভাবীকে চুদলাম 🫦

Image
                     দুষ্টু মিষ্টি ভাবীকে চুদলাম 🫦 আমার লক্ষি বৌদি বিদিশা । খুব সে%%ক্সি দেখতে । গায়ে কোন মেদ নেই । যেমন সুন্দর দেখতে তেমনি সুন্দর তার আচরণ । আমি তার একমাত্র দেওর । বৌদি কে যেদিন প্রথম দেখতে জাই সেদিন ই তাকে দেখে আমার বারা খারা হয়ে উঠে আর আমিও বুঝে ফেলি একদিন না একদিন বৌদি কে আমি আমার নীচে সুয়াবই । আমার দাদার সাথে বৌদির বিয়ে হোল । দাদা বাইরে থাকায় বৌদি কে আমাদের সাথে আমাদের মধ্যেই থাকে । আমাদের পরিবারে আমি মা বাবা আর বৌদি । আমার বৌদি টা যেমন কামুক তেমনি নিজেকে দেখাতে খুব ভালোবাসে । নিজেকে দেখাতে বলতে বৌদি শাড়ি পরে নেট এর । এপার অপার সব দেখা যায় আর ব্লাউজ গুলো খুব স্টাইলিশ । পিছনে হুক আর কাধে ফিতা । শাড়ি নীচের অংশ থাকে তার ছোট্ট নাভির নীচে । ওটা মাথা খারাপ করা । বৌদি আর আমার বয়শ প্রায় সেম । ২ ৩ বছরের পার্থক্য হবে । দাদা না থাকায় আমি বৌদির সবচেয়ে কাছের মানুষ হয়ে জাই ।  বৌদির সাথে দুষ্টমি তো লেগে আছেই। সেক্সুয়াল আকার ইঙ্গিতেও মজা করি আমরা। এই যেমন বৌদি আমার চোখের দৃষ্টি পড়ে ফেলে বলে উঠে, 'কি ঠাকুরপো, দাদার জিনিস ...

বৌয়ের_চেয়ে_বৌয়ের_বড়_বোন_বেশী_সেক্সি🫦

Image
       বৌয়ের_চেয়ে_বৌয়ের_বড়_বোন_বেশী_সেক্সি #choti  #বৌয়ের_চেয়ে_বৌয়ের_বড়_বোন_বেশী_সেক্সি আমার নাম ইমরান হোসেন ২১ । বিয়ে করেছি বছর দুয়েক হলো। আমার বউয়ের বয়স ২০ বছর, যেমন সুন্দরী তেমন সে*ক্সি। প্রতিদিন বউকে ৪/৫ বার না চু*দলে আমার শরীর ঠান্ডা হয় না। ঘটনাটা আমার জেঠাইস কে নিয়ে, জেঠাইয়ের বয়স ২৩। বেশি দিন আগের কথা নয়। আমার বউ তখন গর্ভবতী। আমি ছোট খাটো একটা ব্যবসায়ী, দোকানে মুরগি ছাপলাই দেই । রাত আর দিন নাই বের হই ফিরি সেই গভীর রাতে। ছোট বোন পোয়াতি তাই বোনকে দেখভাল করার জন্য আমার জেঠাইস আসে আমাদের বাড়িতে। তার নাম রাহিমা। কিছু দিন পর শাশুড়ি আসবে তখন আপা চলে যাবে ।আপা বাড়িতে আসার পর বউকে নিয়ে দুশ্চিন্তা কিছুটা কমে। রাহিমা আপা তার বোনকে দেখভাল সহ ঘরের সব কাম কাজ একলাই সামাল দেন। আমি আমার রাহিমা আপাকে আপা বলেই ডাকি। কোন সময়ই রাহিমা আপাকে কুনজরে দেখিনি। আমার বউ পোয়াতি মানুষ তাই সকাল সকাল রাতের খাবার খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ে। রাহিমা আপা আমি না আসা অবধি জেগে থাকে। আমি খাওয়ার পরেই আপা সব কিছু গোছগাছ করে আমার বউয়ের সাথেই শুয়ে থাকে। আমি পাশের রুমে একা থাকি। একদিন রাতের খাবার খেয়ে বিছান...

আপুর বাসায় গিয়ে গার্লফ্রেন্ড ও গার্লফ্রেন্ডের বোনকে চুদলাম ইচ্ছামত। 🫦

Image
   আপুর বাসায় গিয়ে গার্লফ্রেন্ড ও গার্লফ্রেন্ডের বোনকে চুদলাম ইচ্ছামত। 🫦 #choti  দেড় মাস আপুর বাসায় গিয়ে দুই বোনকে চুদলাম ইচ্ছামত।    আমার নাম শাহেদ. বয়স ২০ বছর। আমার প্রেমিকার নাম জুথি, বয়স ২০ বছর। আমরা প্রায় ১ বছর যাবৎ প্রেম করছি। ১ বছর ধরে প্রেম করলেও আমরা কখনো সেক্স করিনি। কিস করেছি, মাই টিপেছি, কিন্তু সেক্স করিনি। আসলে ইচ্ছা ছিল বিয়ের পরেই সেক্স করবো। আমার এক কাজিন এর বিয়েতে জুথির সাথে আমার পরিচয় হয়। প্রথম দেখাতেই আমি জুথির প্রেমে পরে যাই। কাজিন এর বিয়ের পরে আমি জুথির সাথে যোগাযোগ করে কয়েকবার শপিং মলে ও ফাস্ট ফুড এর দোকানে দেখা করি। একদিন আমি জুথিকে প্রপোজ করি। জুথি আমাকে বলে, শাহেদ, তোমাকে আমারও ভালো লাগে। কিন্তু তুমি আমাকে যেমন ভাবছো আমি সেরকম মেয়ে না। আমি যাকে বিয়ে করবো তার সাথেই প্রেম করবো। যতক্ষণ ভালো লাগলো প্রেম করলাম আর মন ভোরে গেলে ছেড়ে দিলাম, এসব আমার দ্বারা হবেনা। আমি জুথির হাত ধরে বলেছিলাম, আমিও তেমন ছেলে না জুথি। আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই, সারা জীবন তোমার সাথে থাকতে চাই, দুঃখ কষ্ট সব ভাগ করে নিতে চাই। সেদিন থেকেই জুথির সাথে আমার প্রেম শুরু হয়ে ...

অপরিচিতা সুন্দরী রমনীকে চোদা 🫦😘

Image
              অপরিচিতা সুন্দরী রমনীকে চোদা 🫦😘 অপরিচিতা সুন্দরী রমনী 🫦😘 হাই আমি নীল, বয়স ২৭। আমি ঢাকতে একটা মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করি।  এখন রাত ১১ পেরিয়ে গেছে। চারদিক পুরাই নিস্তব্দ। রাস্তার লাইটগুলো কুয়াশার মধ্যে আবছা জ্বলছে… হালকা ঠাণ্ডা বাতাস, তার মধ্যে মাঝে মাঝে কোনো গাড়ির দূর থেকে ভেসে আসা হর্ণ। আমি দাঁড়িয়ে আছি মিরপুর-১০ এর বাসস্ট্যান্ডে। কানের কাছে শুধু কুয়াশার শোঁ শোঁ শব্দ। ধীরে ধীরে চোখের সামনে ভেসে উঠলো একটা বড় বাস… সামনে বড় হেডলাইট জ্বলে উঠল — “গাবতলী-শিমুলিয়া নৈশ বাস সার্ভিস”।  বাসটা এসে থামলো। দরজা খোলার সাথে সাথেই আমি আস্তে করে উঠে পড়লাম। ভেতরে হালকা কমলা লাইট জ্বলছে… অদ্ভুত নীরবতা… মাঝামাঝি কয়েকটা সিটে দু’তিনজন চুপচাপ বসা… বাসের একদম শেষ দিকে গিয়ে জানালার পাশের সিটে বসলাম। আমার পাশের সিটটি ফাঁকা। বাস একটু দোল খেয়ে চলা শুরু করলো… ঠিক তখনই… বাসে উঠলো একটা মেয়ে! তাকে দেখেই বাসের সবাই হা করে তাকিয়ে আছে… সাদা পাতলা সালোয়ার কামিজ…। গায়ের রং দুধের মতো ফর্সা… চিকন কোমর, কিন্তু বিশাল বড় টাইট দুইটা মাই… ওড়না...

মেজ ভাবীকে খাওয়ার গল্প 🫦

Image
                     মেজ ভাবীকে খাওয়ার গল্প 🫦 মেজ ভাবীকে খাওয়ার গল্প 🫦 আমার মেজ ভাবী নাম শিল্পি, বয়স ৩১, গায়ের রং উজ্জ্বল ফর্সা, শরীরের গঠন ৩৬+৩৬+৪০। অনেক আকর্ষণীয় শরীর। তার চেহারাটা খুব মায়াবী। একবার দেখলে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। ভাবীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় অঙ্গ হচ্ছে তার দুধ আর পাছা। সাথে গভীর নাভী। যা আমার খুব প্রিয়। ভাবীকে বিয়ে করে আনে ২০০৬ সালে। ভাইয়া সৌদি থাকে। দুই বছর পর পর দেশে আসে। বিয়ে করে ২ মাস পর ভাইয়া আবার যথারীতি বিদেশে চলে যায়। একেতো নতুন বউ তার উপর ভাইয়া ২ মাস থেকেই চলে গেল। আমার মনে দুষ্টু বুদ্ধি চাপে। প্ল্যান করতে থাকি ভাবীকে কিভাবে বিছানায় নেয়া যায়। কিভাবে চোদা যায়। আমাদের বাসায় বাবা, মা, সেজ ভাই আর আমি থাকতাম। তো সুযোগ হয়ে উঠছে তবে আমি আমার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকি ভাবীর সাথে ফ্রিলি কথা বলার চেষ্টা করতাম। ভাবীর শরীরে হাত দেয়ার চেষ্টা করতাম। তবে মেজ ভাবী বড় ভাবীর মতো অতটা সুযোগ দিত না। সব সময় দুরে দুরে থাকতো আমার কাছ থেকে। হয়তো কিছুটা আমার ইচ্ছের কথা বুঝতে পেরেছিল। আমি সব ভাবীর জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসতাম। সে খুশি হত...